প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 15, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 15, 2026 ইং
জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে ট্রাম্পের প্রস্তাবে যে শর্তে রাজি রাশিয়া

রাশিয়া-ইউক্রেন একে অপরের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধে ট্রাম্পের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে রাশিয়া। তবে ক্রেমলিনের শর্ত হলো, সমুদ্রপথে পণ্য রপ্তানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং রাশিয়ার ওপর আরোপিত অবৈধ নিষেধাজ্ঞাগুলো সরাতে হবে।
মঙ্গলবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের জানান, ট্রাম্পের প্রস্তাবটি 'খুব চমৎকার'। তবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম কমানোর তাগিদে শুধু এই উদ্যোগই যথেষ্ট নয়। পেসকভ বলেন, তেলবাহী জাহাজসহ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ও সমুদ্রপথে নিরাপদে পণ্য পরিবহন নিশ্চিত করাও জরুরি। কিন্তু এখনো কিয়েভ সরকার এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে কোনো আগ্রহ দেখায়নি।
এর আগে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইউক্রেন ও রাশিয়া একে অপরের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। যদিও এখনো দেশ দুইটি জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা বন্ধে ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সম্মতির বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
মঙ্গলবার ভোরেও ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে একটি তেলের পাম্পে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। একই সময়ে কিয়েভের অন্য একটি এলাকায় গুদামেও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মেয়র ক্লিৎসকো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় মেয়র ক্লিৎসকো জানান, হামলায় শহরের একটি তেলের পাম্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্য একটি এলাকায় একটি গুদামেও হামলা চালানো হয়েছে।
এছাড়া একজন প্রত্যক্ষদর্শীও কিয়েভে বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে, ইউক্রেন জানিয়েছে, তারা রাশিয়ার একটি তেল শোধনাগারে হামলা করেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের তেলের পাম্পগুলোতে হামলা বাড়িয়েছে রাশিয়া। গত কয়েক মাসে রাশিয়া প্রায় ৩০০টি তেলের পাম্পে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে। এসব হামলার বেশির ভাগই ইউক্রেনের শহরাঞ্চলে বা তার আশপাশে চালানো হয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা দুর্বল করতেই তেল ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হচ্ছে বলে আগেও অভিযোগ করেছে ইউক্রেন।
সূত্র: রয়টার্স
এই ওয়েবসাইটের সকল ছবি ও ভিডিও অনুমতি ব্যতীত ব্যবহার করা নিষেধ। উক্ত নিউজ পোর্টালটির নিবন্ধন কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।